অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ শেষ হলো গতকাল শুক্রবার। মাসব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এই প্রাণের উৎসবের শেষ দিনেও পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের সরব উপস্থিতি ছিল। মেলার বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দিনভর ছিল শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা ও দর্শনার্থীদের ভিড়।
শুক্রবার বেলা ৩টায় বইমেলা শুরু হয়ে রাত ৯টায় শেষ হয়। শেষ দিনে ২৩৪টি নতুন বই প্রকাশিত হয়, ফলে ২৮ দিনে প্রকাশিত মোট বইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২৯৩টি।
এবারের বইমেলায় ৭০৮টি প্রতিষ্ঠানকে ১০৮৪ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমিসহ ৩৭টি প্রতিষ্ঠান উভয় অংশে প্যাভিলিয়ন পেয়েছে। শিশু প্রকাশনার জন্য ৭৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১২০ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বইমেলার সমাপনী দিনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়:
বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক, সনদ ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, “বাংলা একাডেমির সংস্কার প্রয়োজন। লেখক, গবেষক ও গুণিজনদের এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া দরকার। আমরা চাই, প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ লেখকরাও বাংলা একাডেমির কার্যক্রমে যুক্ত হোন।”
তিনি আরও বলেন, “বইমেলার সফল সমাপ্তি আমাদের সাংস্কৃতিক শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। কুষ্টিয়াকে মিউজিক্যাল টাউন ও পানাম নগরকে কালচারাল টাউন হিসেবে গড়ে তুলতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।”
বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ভাষা আন্দোলন ও বইমেলার ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল বইমেলার শেষ শিশু প্রহর। অন্যান্য দিনের তুলনায় শিশুদের উপস্থিতি কম থাকায় এবারের সমাপনী শিশু প্রহর কিছুটা প্রাণহীন মনে হয়েছে।
বাংলা একাডেমির হিসাব অনুযায়ী, ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭ দিনে ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৩ টাকার বই বিক্রি হয়েছে।
বইমেলার সদস্য সচিব ড. আমিন সরকার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন, আর বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম প্রকাশকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বইমেলার সমস্যা সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এভাবেই নানা বিতর্ক, আলোচনা ও সংস্কারের দাবির মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের অমর একুশে বইমেলা শেষ হলো।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আমি নতুনভাবে লিখছি এবং ভুল তথ্য সংশোধন করছি।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৪ শেষ হলো গতকাল শুক্রবার। মাসব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এই প্রাণের উৎসবের শেষ দিনেও পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের সরব উপস্থিতি ছিল। মেলার বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দিনভর ছিল শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা ও দর্শনার্থীদের ভিড়।
শুক্রবার বেলা ৩টায় বইমেলা শুরু হয়ে রাত ৯টায় শেষ হয়। শেষ দিনে ২৩৪টি নতুন বই প্রকাশিত হয়, ফলে ২৮ দিনে প্রকাশিত মোট বইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২৯৩টি।
এবারের বইমেলায় ৭০৮টি প্রতিষ্ঠানকে ১০৮৪ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমিসহ ৩৭টি প্রতিষ্ঠান উভয় অংশে প্যাভিলিয়ন পেয়েছে। শিশু প্রকাশনার জন্য ৭৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১২০ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বইমেলার সমাপনী দিনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়:
বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক, সনদ ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, “বাংলা একাডেমির সংস্কার প্রয়োজন। লেখক, গবেষক ও গুণিজনদের এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া দরকার। আমরা চাই, প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ লেখকরাও বাংলা একাডেমির কার্যক্রমে যুক্ত হোন।”
তিনি আরও বলেন, “বইমেলার সফল সমাপ্তি আমাদের সাংস্কৃতিক শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। কুষ্টিয়াকে মিউজিক্যাল টাউন ও পানাম নগরকে কালচারাল টাউন হিসেবে গড়ে তুলতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।”
বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ভাষা আন্দোলন ও বইমেলার ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ছিল বইমেলার শেষ শিশু প্রহর। অন্যান্য দিনের তুলনায় শিশুদের উপস্থিতি কম থাকায় এবারের সমাপনী শিশু প্রহর কিছুটা প্রাণহীন মনে হয়েছে।
বাংলা একাডেমির হিসাব অনুযায়ী, ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭ দিনে ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৩ টাকার বই বিক্রি হয়েছে।
বইমেলার সদস্য সচিব ড. আমিন সরকার সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন, আর বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম প্রকাশকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বইমেলার সমস্যা সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এভাবেই নানা বিতর্ক, আলোচনা ও সংস্কারের দাবির মধ্য দিয়ে ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলা শেষ হলো।
Leave a Reply